রামপুরায় পিচ্চি আলামিন গ্রেপ্তার

চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ ২৭ মামলার আসামি; অস্ত্র-গুলিসহ দুই সহযোগী আটক।

টুইট প্রতিবেদক: রাজধানীর রামপুরায় চাঁদাবাজি, হত্যা ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আলামিন ওরফে পিচ্চি আলামিনকে গ্রেপ্তার করেছে বিশেষ প্রতিক্রিয়া বাহিনী–৩। এ সময় তাঁর দুই সহযোগী কামলা ও খাইরুলকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রামপুরার টিভি সড়ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিশেষ প্রতিক্রিয়া বাহিনীর ভাষ্য, পিচ্চি আলামিন পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। তাঁর কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও পাঁচটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযোগ, রামপুরা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন পিচ্চি আলামিন। নির্মাণাধীন ভবন, বাজার, দোকানপাট ও টেম্পোস্ট্যান্ডের পাশাপাশি ডিস ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও তিনি চাঁদা আদায় করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ গত ২৭ সেপ্টেম্বর বনশ্রীর একটি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিশেষ প্রতিক্রিয়া বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ঢাকায় পিচ্চি আলামিনের বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা রয়েছে।

এ ছাড়া রামপুরা এলাকার তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে কাইল্ল্যা পলাশ হত্যা মামলায়ও তিনি এজাহারভুক্ত আসামি। গত ২০ জুন কারাগার থেকে মুক্তির প্রায় এক মাস পর রামপুরায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন কাইল্ল্যা পলাশ।

পিচ্চি আলামিন ও তাঁর দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।