কঙ্গোয় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত ৩ হাজার ছাড়িয়েছে

ভাইরাস ছড়াচ্ছে অভূতপূর্ব গতিতে, ছয় প্রদেশে সংক্রমণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে এই প্রাদুর্ভাব ২০১৪-১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাবকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
বিশ্ব ডেস্ক: কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটিতে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ১৮৬ জনের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৭ জনের।
মে মাসের মাঝামাঝি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর থেকে প্রাদুর্ভাবটি রেকর্ড গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। সংক্রমণ শনাক্ত, নিয়ন্ত্রণ ও আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের অনুসরণ করার প্রচেষ্টাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে ভাইরাসের বিস্তার।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত সপ্তাহে নর্থ কিভু প্রদেশের আরও দুটি স্বাস্থ্য অঞ্চলে ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ প্রদেশে আক্রান্তদের মৃত্যুহার অন্যান্য সংক্রমিত এলাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ছয়টি প্রদেশে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে।
মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) মঙ্গলবারের এক মূল্যায়নে জানিয়েছে, সংক্রমণ দমনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো এখনো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার নিচে রয়েছে। সংস্থাটির মতে, একাধিক স্বাস্থ্য অঞ্চলে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া প্রাদুর্ভাবটির ‘অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার’-এর ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এই প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বুন্ডিবুগিও ভাইরাস। এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখনো কোনো অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) আগেই সতর্ক করেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে এই প্রাদুর্ভাব ২০১৪-১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাবকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।






