এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেলেন ৪০ হাজার ৮৪ শিক্ষার্থী

গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ কমেছে ২৯ হাজার ১৩টি, পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১ নভেম্বর
টুইট ডেস্ক : চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। একই সঙ্গে এবার গড় পাসের হারও কমেছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশীয় পয়েন্ট।
এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। এসব বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন।
এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। তবে তাঁদের একটি অংশ পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।
এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হয়।
এদিকে ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছেন। মুঠোফোনে খুদেবার্তার মাধ্যমেও ফল জানার সুযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা একসঙ্গে কমে যাওয়ায় গত বছরের তুলনায় ফলাফলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে।






