ভিকারুননিসায় পাসের হার ৯৪%, জিপিএ-৫ কমল অর্ধেকের বেশি

গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী কমেছে ৫৭০ জন। পাসের হারও কমেছে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ।
টুইট প্রতিবেদক: ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলে পিছিয়েছে রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গত বছরের তুলনায় এবার প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা, দুটিই কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে।
এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২ হাজার ৩৭৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২ হাজার ২৩৮ জন। পাসের হার ৯৪ দশমিক ১৫ শতাংশ। অন্যদিকে অকৃতকার্য হয়েছেন ১৩৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪১৬ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগে ১ হাজার ৮১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১ হাজার ৭০২ জন। এ বিভাগে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩৩ জন।
মানবিক বিভাগে ২৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২৭৪ জন। পাসের হার ৯৪ দশমিক ১৬ শতাংশ। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৮ জন।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২৭৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৬২ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এ বিভাগে সর্বোচ্চ ২০ দশমিক ১৫ শতাংশ পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। সংখ্যার হিসাবে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ৫৫ জন।
গত বছরের ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করলে অবনতির চিত্র আরও স্পষ্ট হয়। ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২ হাজার ৫১৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছিলেন ২ হাজার ৪৩৪ জন। পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯৮৬ জন।
অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫৭০ জন, যা প্রায় ৫৭ দশমিক ৮১ শতাংশ।
ফলাফলের অবনতি নিয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বলেন, ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার প্রায় ৯৮ শতাংশ থাকলেও এবার তা কমে ৯৪ শতাংশ হয়েছে। বিষয়টি তাঁরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।
তিনি আরও বলেন, অন্যের ওপর দায় চাপাতে চান না। নিজের দায়িত্বের জায়গা থেকে পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করতে চান। শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।
সামগ্রিক ফলাফলে পাসের হার ৯৪ শতাংশের বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় বড় ধরনের পতন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও ফলাফল উন্নয়নে নতুন করে ভাবনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।






