গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটেও মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এলাকায় স্বস্তি, ভোগান্তিতে অন্যরা

বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও যশোরে লোডশেডিংয়ের চিত্রে বৈষম্যের অভিযোগ

টুইট ডেস্ক: গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, তখন বগুড়া, সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ এবং যশোর সদরে তুলনামূলক স্বস্তির চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক থাকলেও জেলার অন্যান্য উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি বেশ নাজুক।

বগুড়ায় নেসকোর আওতাধীন এলাকায় গত বৃহস্পতিবার থেকে চাহিদা অনুযায়ী প্রায় পুরো বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। ১১০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১১০ মেগাওয়াটই সরবরাহ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর আওতাধীন সাত উপজেলাতেও একই সময়ে লোডশেডিং হয়নি।

অন্যদিকে সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নির্বাচনী এলাকা সদর ও কামারখন্দে লোডশেডিং তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে উল্লাপাড়া, বেলকুচি, শাহজাদপুর, চৌহালী ও রায়গঞ্জের গ্রামাঞ্চলে ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কোথাও কোথাও দিনে-রাতে সাত-আটবার পর্যন্ত বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

যশোরেও একই ধরনের চিত্র। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নির্বাচনী এলাকা যশোর সদরে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত লোডশেডিং হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অথচ জেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে দিনে গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। ফলে একই জেলার এক এলাকায় স্বস্তি থাকলেও অন্য এলাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা।