লঞ্চে যাত্রী ওঠায় কড়াকড়ি

ঈদযাত্রায় মাঝনদীতে নৌকা-স্পিডবোট থেকে লঞ্চে ওঠা নিষিদ্ধ
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নৌপথে যাত্রী নিরাপত্তা জোরদারে একগুচ্ছ কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে নৌকা কিংবা দ্রুতগতির জলযান ব্যবহার করে নদীর মাঝখান থেকে কোনো যাত্রী লঞ্চে উঠতে পারবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সোমবার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, গত ঈদে সংঘটিত দুটি নৌদুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় কোনো যাত্রী সরাসরি নৌকা বা দ্রুতগতির জলযান থেকে লঞ্চে উঠতে পারবেন না। তবে টার্মিনাল পন্টুন ব্যবহার করে যাত্রীদের লঞ্চে ওঠার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি ফেরিতে গাড়ি ওঠানোর সময় চালকদের আগে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফেরি পন্টুনের নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও উঁচু ও মজবুত করা হচ্ছে। ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন রাখতে ঈদের আগে পাঁচ দিন ও পরে পাঁচ দিন সার্বক্ষণিক বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে রাতের বেলায় দ্রুতগতির জলযান চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যাত্রীচাপ কমাতে ঢাকার বসিলা ঘাট ও পূর্বাচলের কাঞ্চন সেতু সংলগ্ন শিমুলিয়া ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া কুড়িল বিশ্বরোড থেকে শিমুলিয়া ঘাট পর্যন্ত বিআরটিসির বিশেষ শাটল বাস চলবে।
ঈদের আগে ও পরে তিন দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী যান ছাড়া সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে। তবে কোরবানির পশুবাহী ট্রাক অগ্রাধিকার পাবে বলে জানান মন্ত্রী।
সভায় আরও বলা হয়, সদরঘাটে যাত্রীদের মালামাল পরিবহনে ট্রলি সেবা এবং অসুস্থ ও বয়োবৃদ্ধদের জন্য হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা রাখা হবে। কোরবানির পশুবাহী নৌযান কোন ঘাটে ভিড়বে, তা দৃশ্যমান ব্যানারে উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন






