সব ধর্মের মানুষের নিরাপদ উৎসব নিশ্চিত করতে চায় সরকার: শামা ওবায়েদ

উপপররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দাবি, বিএনপি সরকারে থাকলে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন।

টুইট প্রতিবেদক: বিএনপি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ও নিরাপদে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগরে শারদীয় দুর্গাপূজার বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সন্ধ্যায় রামনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, বিগত ১৭ বছর দেশের মানুষ কঠিন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছেন। তবে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজায় সব ধর্মের মানুষ এক হয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উৎসব উদ্‌যাপন করছেন। বাংলাদেশের প্রকৃত সৌন্দর্য ও মাধুর্য এখানেই।

পূজার বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্

মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় সনাতন ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ সময় বিগত সরকারের বরাদ্দের সঙ্গে বর্তমান সরকারের বরাদ্দের তুলনা করে তিনি জানতে চান, এ বছর তাঁরা আগের তুলনায় বেশি সুযোগ-সুবিধা ও অর্থ বরাদ্দ পেয়েছেন কি না। উপস্থিত ব্যক্তিরা এর জবাবে ইতিবাচক সাড়া দেন।

সরকারের পক্ষ থেকে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে তিনি সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

স্থানীয় প্রশাসন ও নেতারা উপস্থিত

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মিয়াজী, নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন, নগরকান্দা সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মুহম্মদ আল ফাহাদ এবং নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসুল সামদানী আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সহসভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, সহসভাপতি মাহাবুব আলী মিয়া, যুবদলের আহ্বায়ক তৈয়াবুর রহমানসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ধর্মীয় উৎসবে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে রেখে প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও নাগরিক অধিকারের প্রশ্ন গুরুত্ব পেয়েছে।