ফাউলের কারণে স্বীকৃতি পেল না মিশরের গোল

আক্রমণের সূচনায় ফাউল ধরা পড়ায় জিকোর প্রথম গোলের স্বীকৃতি মেলেনি, পরে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে জেতে আর্জেন্টিনা।

টুইট প্রতিবেদক: শেষ ষোলোর লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৫৮তম মিনিটে মোস্তফা জিকোর করা গোলে উল্লাসে মেতে উঠেছিল মিশর। তবে সেই আনন্দ স্থায়ী হয়নি। ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) পর্যালোচনার পর ম্যাচ রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে গোলটি বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন।

ঘটনার শুরু আক্রমণ গড়ে ওঠার মুহূর্তে। বল দখলের সময় মিশরের মারওয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের খেলোয়াড় লিসান্দ্রো মার্তিনেসকে ফাউল করেন। সেই ফাউলের মাধ্যমেই মিশর বলের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় এবং দ্রুত আক্রমণ গড়ে তোলে।

এরপর ডান প্রান্ত দিয়ে এগিয়ে গিয়ে হাইসেম হাসান নিখুঁত পাস বাড়ান জিকোর উদ্দেশে। একা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে পেয়ে ঠান্ডা মাথায় চিপ শটে বল জালে জড়ান জিকো। কিন্তু ভিএআরের পরামর্শে মাঠের পাশের মনিটরে দৃশ্যটি দেখে আক্রমণের সূচনায় ফাউল নিশ্চিত করেন রেফারি। ফলে গোলটি বাতিল করা হয়।

তবে মাত্র ছয় মিনিট পর আবারও পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করেন জিকো। এবার আর কোনো বাধা আসেনি। সেই গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মিশর।

তবু শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখতে পারেনি আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ম্যাচের শেষ ১৪ মিনিটে টানা তিন গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ঘটায় আর্জেন্টিনা। ৩-২ ব্যবধানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে লিওনেল স্কালোনির দল।

ম্যাচের অন্যতম বিতর্কিত ও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল জিকোর বাতিল হওয়া গোল। ভিএআরের হস্তক্ষেপে নেওয়া সেই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার অন্যতম কারণ হয়ে ওঠে।