ম্যারাডোনাকে ছাড়িয়ে মেসির নতুন ইতিহাস

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়ে আর্জেন্টিনাকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুললেন অধিনায়ক, যোগ হলো আরও একাধিক অনন্য কীর্তি।
টুইট প্রতিবেদক: পেনাল্টি থেকে গোল করতে না পেরে একসময় হতাশায় ভেঙে পড়েছিলেন লিওনেল মেসি। তবে সেই হতাশা দ্রুত ঝেড়ে ফেলে নেতৃত্বের আসল পরিচয় দেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে একটি গোল করানোর পাশাপাশি সমতাসূচক গোল করে দলকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের পথে ফেরান তিনি। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে গড়েন একাধিক নতুন রেকর্ড।
ম্যাচে ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে দিয়ে গোল করিয়ে বিশ্বকাপে নিজের মোট অ্যাসিস্ট সংখ্যা দাঁড় করান ৯-এ। এর মাধ্যমে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতার আসনে এককভাবে বসেছেন মেসি।
৩৯ বছর বয়সী এই তারকার এটি চলতি বিশ্বকাপে প্রথম অ্যাসিস্ট। এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপে তিনটি, ২০১৮ বিশ্বকাপে দুটি এবং ২০১৪, ২০১০ ও ২০০৬ আসরে একটি করে অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। ফলে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে অ্যাসিস্ট করার অনন্য কীর্তিও গড়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
শুধু অ্যাসিস্ট নয়, গোলের দিক থেকেও নিজের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করেছেন মেসি। ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে করা গোলটি ছিল চলতি বিশ্বকাপে তাঁর অষ্টম এবং বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের ২১তম গোল।
এছাড়া নকআউট পর্বে টানা ছয় ম্যাচে গোল করার বিরল নজিরও গড়েছেন তিনি। ২০২২ সালের শেষ ষোলোর পর থেকে নেদারল্যান্ডস, ক্রোয়েশিয়া, ফ্রান্স, কেপ ভার্দে এবং সর্বশেষ মিশরের বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে গোল করেছেন মেসি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে টানা নয় ম্যাচে গোল করার নতুন মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
মিশরের বিপক্ষে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া আর্জেন্টিনার সাফল্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল অধিনায়ক মেসির। ব্যক্তিগত রেকর্ডের ঝুলিতে নতুন পালক যোগ করার পাশাপাশি দলকেও আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার মিশনে আবারও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন তিনি।





