পদ্মা রক্ষায় রাজশাহীতে ‘রান ফর পদ্মা’ মিনি ম্যারাথন

প্রায় ৫৫০ জনের অংশগ্রহণ; নদী দখল-দূষণ বন্ধ ও ন্যায্য পানিপ্রবাহ নিশ্চিতের দাবি।
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঐতিহাসিক পদ্মা নদীসহ দেশের সব নদ-নদী রক্ষা, নাব্যতা সংকট দূর, নদীদখল ও দূষণ প্রতিরোধ এবং আন্তর্জাতিক অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর পদ্মা’ মিনি ম্যারাথন।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ছয়টায় নগরের লালনশাহ মুক্তমঞ্চে সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ এই মিনি ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘রান ফর পদ্মা’ মিনি ম্যারাথন নদী রক্ষায় জনসচেতনতা গড়ে তোলার একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন। সম্মিলিত সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও উদ্যোগের মাধ্যমেই পদ্মাসহ দেশের সব নদ-নদীকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ, নিরাপদ ও প্রাণবন্ত নদী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগী এবং আয়োজকদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান।
ম্যারাথনটি লালনশাহ মুক্তমঞ্চ থেকে শুরু হয়ে ফুড অফিস মোড় ঘুরে আবার মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন বয়সের প্রায় ৫৫০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ১৩৫ জন নারী ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘রান ফর পদ্মা’ মিনি ম্যারাথনের উপদেষ্টা ও সোনালী সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক লিয়াকত আলী, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, উপদেষ্টা রিক্তা পারভীন, আহ্বায়ক মো. জুলফিকার আলী হায়দার, যুগ্ম আহ্বায়ক মঈন বিন মোস্তফা, সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম সানি এবং আয়োজক কমিটির অন্যান্য সদস্য।
আয়োজকদের ভাষ্য, ‘রান ফর পদ্মা’ কেবল রাজশাহীর একটি আয়োজন নয়; এটি বাংলাদেশের নদী, পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষার একটি সচেতনতামূলক আন্দোলন। পদ্মাসহ দেশের সব নদ-নদী রক্ষার দাবি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তরুণ প্রজন্মকে নদী সংরক্ষণে সম্পৃক্ত করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
আয়োজকদের মতে, নদী রক্ষার বিষয়টি শুধু পরিবেশ সংরক্ষণের প্রশ্ন নয়; এটি কৃষি, জীববৈচিত্র্য, জনজীবন এবং দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। তাই নদী বাঁচাতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।







