এক বছরে কমেছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম, বেড়েছে কাঁচামরিচ-তেল

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিললেও ডাল, ভোজ্যতেল ও মাংসের ঊর্ধ্বমুখী দাম বাড়াচ্ছে ভোক্তার চাপ

টুইট ডেস্ক: রাজধানীর কাঁচাবাজারে গত এক সপ্তাহে বেশিরভাগ সবজির দাম কিছুটা কমেছে। সরবরাহ বাড়ায় বাজারে স্বস্তি ফিরলেও এক বছরের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চাল, পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কমলেও ডাল, কাঁচামরিচ, ভোজ্যতেল ও মাংসের দাম বেড়েছে।

অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত এক বছরে মোটা চালের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। তবে সুগন্ধি চালের দাম বেড়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশ। ডালের মধ্যে মসুর ডালের দাম বেড়েছে ২০ দশমিক ৭৫ শতাংশ, অন্যদিকে খেসারির ডালের দাম কমেছে প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ।

মসলাজাতীয় পণ্যের মধ্যে দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং রসুনের দাম কমেছে ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। তবে শুকনা মরিচের দাম বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।

ভোজ্যতেলের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ১৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ, পাম তেলের দাম ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং ব্র্যান্ডভেদে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এছাড়া খোলা সরিষার তেলের দামও সামান্য বেড়েছে।

মাংসের বাজারেও বেড়েছে দাম। এক বছরে ব্রয়লার মুরগির দাম ১৬ দশমিক ১৩ শতাংশ, দেশি মুরগির দাম ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ, গরুর মাংসের দাম ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং ছাগলের মাংসের দাম ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে ভোক্তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, একই সময়ে ডিমের দাম ২ শতাংশের বেশি কমেছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে সবজির বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা এলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের দাম এখনও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।