দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ আয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নেবে সরকার: ভূমিমন্ত্রী

বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না, পূজামণ্ডপের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক : শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনে সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, পূজারীরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে জন্য পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ তাঁদের পাশে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় রাজশাহী মহানগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। রাজশাহী সবার প্রিয় শহর। এখানে দীর্ঘদিন ধরে মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন। পূজা উদযাপন নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যেসব দাবি ও সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে, যাতে সবাই আনন্দের সঙ্গে পূজা উদযাপন করতে পারেন। উৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আশপাশের কোনো অসহায় শিশু যেন খাবার বা নতুন পোশাকের অভাবে কষ্ট না পায়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। সবাইকে মিলেমিশে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে হবে।
শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। পূজারীদের নিরাপত্তা ও সহযোগিতায় পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করছে।
রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির পিপিএম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান এবং পুলিশ সুপার মো. মামুনুর রশীদ।
এ ছাড়া সভায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মহানগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিয়ে মতামত ও দাবি তুলে ধরেন।






