আইওএস ২৭-এ বিপাকে পুরোনো আইফোন

নতুন সংস্করণ নামানোর পর পর্দায় স্পর্শে সাড়া না দেওয়া, ধীরগতি ও অ্যানিমেশনে কাঁপুনির অভিযোগ
টুইট ডেস্ক: আইফোনের জন্য নতুন পরিচালনব্যবস্থা আইওএস ২৭ উন্মুক্ত করার পর পুরোনো মডেলের ব্যবহারকারীদের একাংশ সমস্যায় পড়েছেন। নতুন সংস্করণটি নামানোর পর পর্দায় স্পর্শ করে সাড়া না পাওয়া, ফোনের গতি কমে যাওয়া এবং বিভিন্ন অ্যাপ চালুর সময় দৃশ্য কাঁপার মতো সমস্যার অভিযোগ উঠেছে।
অ্যাপল ১৪ সেপ্টেম্বর আইওএস ২৭ উন্মুক্ত করে। নতুন আইফোন ১৮ সিরিজে পরিচালনব্যবস্থাটি আগে থেকেই যুক্ত থাকলেও পুরোনো বিভিন্ন মডেলের আইফোনেও এটি ব্যবহার করা যাচ্ছে। তবে নতুন সংস্করণ ব্যবহারের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমস্যার কথা জানাচ্ছেন কিছু ব্যবহারকারী।
অনলাইন আলোচনামাধ্যম রেডিটে প্রকাশিত বিভিন্ন পোস্টে ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, পর্দার নির্দিষ্ট অংশে স্পর্শ করলে কখনো কখনো কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। আঙুল দিয়ে পর্দা সরানোর সময় সমস্যাটি বেশি দেখা যাচ্ছে বলেও কেউ কেউ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ফোনের সামগ্রিক গতি কমে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
অ্যাপলের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকজন ব্যবহারকারী নিজেদের অভিজ্ঞতা জানিয়ে সম্ভাব্য সাময়িক সমাধানের কথা বলেছেন। তাঁদের একজনের দাবি, ফোন পুনরায় চালু করার পর স্পর্শনির্ভর পর্দা স্বাভাবিকভাবে কাজ করেছে। যদিও এই পদ্ধতিতে স্থায়ীভাবে সমস্যা সমাধান হয় কি না, তা নিশ্চিত নয়।
কিছু ব্যবহারকারী আবার জানিয়েছেন, প্রধান পর্দায় অতিরিক্তসংখ্যক অ্যাপের প্রতীক থাকলে অ্যাপ চালুর সময় দৃশ্যগত কাঁপুনি দেখা দিতে পারে। এ কারণে প্রধান পর্দায় থাকা অ্যাপের সংখ্যা কমিয়ে দেখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের পরিচালনব্যবস্থা হালনাগাদ করার পর ফোনের ভেতরে বেশ কিছু প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকে। সংরক্ষিত তথ্য নতুন করে সাজানো ও সূচিবদ্ধ করার মতো কাজের কারণে সাময়িকভাবে ফোনের গতি কমে যেতে পারে। এর প্রভাব দৃশ্য পরিবর্তনের সময় কাঁপুনি বা সাময়িক ধীরগতিতেও পড়তে পারে।
তবে এসব অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও যদি পর্দায় স্পর্শের সমস্যা, ধীরগতি বা দৃশ্যগত ত্রুটি থেকে যায়, তাহলে পরবর্তী পরিচালনব্যবস্থা হালনাগাদের অপেক্ষা করতে হতে পারে।
নতুন সংস্করণ ব্যবহারের আগে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সংরক্ষণ করে রাখা এবং সমস্যাটি স্থায়ী হলে নির্মাতার আনুষ্ঠানিক সহায়তা নেওয়াই নিরাপদ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।






