জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭ জন কারাগারে

অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার; জামিন শুনানি সোমবার

টুইট প্রতিবেদক: রাজধানীর পল্টনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল,জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢুকে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগে আটক ২৭ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জামিন আবেদনের ওপর শুনানির জন্য সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার রাতে পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. নাজমুল ইসলাম ২৭ জনকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে হাজির করেন। এ সময় তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আদালতে শুনানি শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। পরে আসামিপক্ষের করা জামিন আবেদনের শুনানির জন্য সোমবার দিন নির্ধারণ করা হয়।

পুলিশের আদালতে দেওয়া আবেদনে বলা হয়, শনিবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা খবর পান, পল্টনে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে একদল লোক ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই ব্যক্তিদের আটক করে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা ঘটনাটি সম্পর্কে সন্তোষজনক বা বৈধ কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

আদালতে দেওয়া আবেদনে আরও বলা হয়, আটক ব্যক্তিরা কোনো ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও ঠিকানা যাচাই এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তাদের কারাগারে রাখা প্রয়োজন।

রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাদের আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। পরে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানানো হয়।

কারাগারে পাঠানো ২৭ জন হলেন,মো. দিদারুল আলম তুহিন, ইমান আহমেদ ইমন, মোল্লা মো. শাহজাহান সিরাজ, জয় সরকার, মো. মিরাজ আহমেদ, মো. মিরাজ মালিখা, মো. রবিউল ইসলাম, মিলন কুমার মহন্ত, মো. কাউসার হোসেন, অঞ্জন শিল, জালাল উদ্দীন মন্ডল, আব্দুল লতিফ, শামীম আহমেদ, আহাম্মেদ আহসান হাবিব, মো. সুজন আলী, মো. তসিকুল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ সায়েক, নয়ন আলী সাজিদুল ইসলাম তুহিন, তাজুল ইসলাম, নিস্কর সম্রাট হোসেন তালুকদার, আনোয়ার হোসেন, মো. আলমগীর হোসেন, মো. আল আমিন হাওলাদার, মো. তুষার আলী, মো. রাশিদুল হক ও মীর মুক্তিসুর রহমান।

ঘটনাটি নিয়ে পরবর্তী শুনানিতে আদালতের সিদ্ধান্ত এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টির আইনি অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে।