ডুয়েটে অচলাবস্থা

নতুন ভিসি নিয়োগ ঘিরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, উত্তপ্ত ক্যাম্পাস।
টুইট ডেস্ক: ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এ নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলন নতুন মাত্রা পেয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক, দাপ্তরিক ও একাডেমিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, নতুন ভিসির নিয়োগ বাতিল এবং তাদের ঘোষিত তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলছে, তবু পাশের ছোট ফটক দিয়ে সীমিত আকারে কর্মকর্তা অকর্মচারীদের প্রবেশ করতে দেখা গেছে।
ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে আসবাবপত্র ফেলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র বলছে, ‘ডুয়েট ব্লকেড’ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনেও গ্রেপ্তার আতঙ্কে অনেক শিক্ষার্থী প্রকাশ্যে অংশ নিতে পারেননি। সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনায় ২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার দুপুরের পর নতুন উপাচার্য পুলিশি সহায়তায় এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে আন্দোলনকারীরা পুনরায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তারা “বহিরাগত ভিসি মানি না”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সাংবাদিকদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করা হয়। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার কর্মসূচি চলবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ শুরু হয়।
পরদিন থেকে বিক্ষোভ, ‘লাল কার্ড’ কর্মসূচি এবং অবরোধের ধারাবাহিকতায় রোববার শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।
আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে।






