চট্টগ্রামের উন্নয়নে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

সম্প্রীতি ও ঐক্যের শক্তিতে ৫ বছরে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর আশাবাদ প্রতিমন্ত্রীর।
টুইট ডেস্ক: রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, বৈচিত্র্যের মধ্যেও ঐক্যই চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় শক্তি, যা উন্নয়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রোববার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সমিতি ঢাকার ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নবনির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামে বাঙালিসহ ১২টি সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান দেশের জন্য এক অনন্য উদাহরণ। এই সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি অটুট রাখাই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম কেবল একটি অঞ্চল নয়,এটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র।
দেশের বহুমাত্রিক বৈচিত্র্যের মিলনস্থল হিসেবে চট্টগ্রামের গুরুত্ব অপরিসীম। এ ঐক্য নষ্ট না করে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে দৃশ্যমান উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একজন বাঙালি প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি চট্টগ্রামবাসীর পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় অঞ্চলটিকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের লক্ষ্যে এগিয়ে নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী কমিটির নেতৃবৃন্দ সংগঠনের কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। দ্বিতীয় পর্বে নতুন কমিটির নেতারা সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
চট্টগ্রাম সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্টজনেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।






