শিশু সুরক্ষায় এগিয়ে রিটন, রাসিকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু

রাসিকে হাম-রুবেলা টিকা কার্যক্রম শুরু। ৪৩৮ কেন্দ্রে শিশুদের টিকাদান; ৫৪ হাজারের বেশি শিশুকে আওতায় আনার লক্ষ্য।

স্টাফ রিপোটার: শিশুদের প্রাণঘাতী হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ব্যাপক পরিসরে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মহানগরীতে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসনীয় নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাসিক প্রশাসক।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৮টায় নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের আরবান প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলমান এ কর্মসূচির আওতায় মহানগরীতে মোট ৫৪ হাজার ১৪৪ জন শিশুকে টিকা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে কমিউনিটি পর্যায়ে ৪৫ হাজার ৬২৩ জন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ৮ হাজার ৫২১ জন শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নগরজুড়ে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ৪৩৮টি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১৮টি স্থায়ী কেন্দ্র, ২৪০টি কমিউনিটি কেন্দ্র এবং ১৮০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক কেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি অস্থায়ী কেন্দ্রে দুইজন টিকাদানকারী ও তিনজন স্বেচ্ছাসেবী এবং স্থায়ী কেন্দ্রে একজন টিকাদানকারী ও একজন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাসিক প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার দেশব্যাপী হাম-রুবেলা প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে, যা সফল বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে নির্ধারিত কেন্দ্রে এনে টিকা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো শিশুর মধ্যে হাম বা রুবেলার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

জনসচেতনতা বাড়াতে ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ হাজার লিফলেট প্রস্তুত করে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান রাসিক প্রশাসক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, সচিব মোঃ সোহেল রানা, জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস.আই.এম রাজিউল করিম, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক ড. কুস্তরী আমিনা কুইন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।