গভীর সমুদ্র তেল অনুসন্ধানে তুরস্কের ঐতিহাসিক মিশন

‘চাগরি বে’ জাহাজসহ সহায়ক জাহাজগুলোর প্রতিরক্ষায় সক্রিয় তুর্কি টাস্ক ফোর্স।

বিশ্ব ডেস্ক: তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমালিয়া উপকূলে তেল খনন কার্যক্রম চালানো ‘চাগরি বে’ ড্রিলিং জাহাজ এবং সহায়ক জাহাজ কর্কুত, আলতান ও সানজারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তুর্কি নৌবাহিনীর টাস্ক গ্রুপ পুরোদমে কাজ করছে।

সম্প্রতি ওই এলাকায় পৌঁছানো ‘চাগরি বে’ জাহাজে তুরস্কের আন্ডারওয়াটার অফেন্স (স্যাট) কমান্ডো ইউনিটের সদস্যরা সরাসরি খনন কার্যক্রমের প্রতিরক্ষা দায়িত্ব পালন করছেন। এটি তুরস্কের প্রথম বিদেশি গভীর সমুদ্র তেল খনন অভিযান, যা সোমালিয়ার সঙ্গে জ্বালানি খাতে নতুন সহযোগিতার দ্বার উন্মোচন করেছে।

৭৫০০ মিটার গভীরতায় খনন, ২৮৮ দিনের অভিযান

‘চাগরি বে’ জাহাজটি কুরাদ-১ কূপে ৭,৫০০ মিটার গভীরতায় খনন করবে। পুরো অভিযান চলবে ২৮৮ দিন। তুরস্কের জ্বালানি মন্ত্রী আলপারস্লান বায়রাক্তার এই মিশনকে দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছেন।

তুর্কি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজগুলো স্থায়ীভাবে এলাকায় টহল দিচ্ছে এবং প্রায় ৫০০ জন কর্মী ঘূর্ণায়মান ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করবেন।

কৌশলগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব

সোমালিয়ার উপকূলে এই তেল অনুসন্ধান তুরস্কের জন্য বড় অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে। একইসঙ্গে অঞ্চলটির নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় নৌবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি বজায় রাখা হয়েছে। এটি তুরস্কের বিদেশনীতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা ও আফ্রিকায় প্রভাব বাড়ানোর কৌশলের অংশ।

এদিকে থাইল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থা মধ্যপ্রাচ্যের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ইরান এখনও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত নয়। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ এখনও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমেই চলছে।

দুটি ঘটনাই বিশ্ব জ্বালানি বাজার ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার দ্রুত পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সূত্র: তুরস্ক জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ডেইলি সাবাহ, থাইপোস্ট ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম