কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের শঙ্কা

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে সীমিত সামরিক পদক্ষেপ, হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেও কূটনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প
টুইট ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগে ইরানের কেশম দ্বীপে সীমিত আকারে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের জবাবে আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে হামলাটিকে বড় কোনো সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ধরনের সীমিত হামলা এর আগেও গোপনে পরিচালিত হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগের দিনে এই সামরিক পদক্ষেপ ইরান পরিস্থিতির অমীমাংসিত অবস্থাকে আবারও সামনে এনেছে।
হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হতে পারে।
সোমবার (২ নভেম্বর) একই ধরনের বক্তব্য দেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সাংবাদিকদের তিনি জানান, যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে।
কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিতের পরও কেশম দ্বীপে হামলার ঘটনা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনাকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।






