ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় তুরস্কের ‘স্টিল ডোম’ চাইছে পাকিস্তান!

আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে তুরস্কের সমন্বিত প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে পাকিস্তান—তবে স্টিল ডোম কেনার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা নেই।
টুইট ডেস্ক: পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘদিনের সামরিক ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সহযোগিতা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় তুরস্কের তৈরি সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘স্টিল ডোম’ নিয়ে পাকিস্তানের আগ্রহের দাবি সামনে এসেছে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এএসইএলসানের তৈরি কোরকুট (KORKUT) ও শাহিন (ŞAHİN) প্রযুক্তির সঙ্গে পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতার সম্পর্কের তথ্যও আলোচনায় এসেছে। এসব প্রযুক্তির উপস্থিতি দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরলেও পাকিস্তান পুরো স্টিল ডোম ব্যবস্থা কিনতে যাচ্ছে—এমনটি নিশ্চিত করে না।
আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কী প্রভাব পড়তে পারে?
পাকিস্তান ভবিষ্যতে তুরস্কের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গ্রহণ করলে দেশটির আকাশসীমা সুরক্ষা, ড্রোন প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন ধরনের আকাশপথের হুমকি শনাক্ত ও মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়তে পারে।
বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় আধুনিক যুদ্ধবিমান, চালকবিহীন আকাশযান ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতিযোগিতার মধ্যে এ ধরনের প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
তুরস্কের ‘স্টিল ডোম’ মূলত একক কোনো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নয়; বরং বিভিন্ন পাল্লার প্রতিরক্ষা অস্ত্র, রাডার, শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার প্রকল্প।
তবে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়। দেশটির বিমানবাহিনীর প্রকাশিত সামরিক ভিডিওতে কোরকুট ও শাহিন প্রযুক্তি দেখা গেলেও পুরো স্টিল ডোম ব্যবস্থা কেনা বা মোতায়েনের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত চুক্তি কিংবা নির্দিষ্ট সময়সীমার তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।
ফলে পাকিস্তানের স্টিল ডোম কেনার আগ্রহের বিষয়টিকে আপাতত সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা হিসেবে দেখাই যুক্তিযুক্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত দাবিকে নিশ্চিত সামরিক চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।






