বিদ্রোহীদের হামলায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের দাবি ভিত্তিহীন: ভারতীয় সেনাবাহিনী

লেফটেন্যান্ট জেনারেল সঞ্জয় মিত্রের পরিবারের সদস্যরা হেলিকপ্টারে ছিলেন—এমন প্রচারও ভিত্তিহীন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তরাখণ্ডের জোশীমঠের কাছে একটি হেলিকপ্টার বিদ্রোহীদের হামলায় ভূপাতিত হয়েছে। এবং তাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল সঞ্জয় মিত্রের পরিবারের সদস্যরা ছিলেন—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) উত্তরাখণ্ডে একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার পর এ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হয়, বদরীনাথ থেকে দেরাদুন যাওয়ার পথে জোশীমঠের কাছে হেলিকপ্টারটিতে বিদ্রোহীরা হামলা চালায়। এতে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সঞ্জয় মিত্রের পরিবারের সদস্যরা ছিলেন বলেও প্রচার করা হয়।
ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এসব দাবির কোনো সত্যতা নেই। প্রকৃত ঘটনা ছিল একটি বেসরকারি পরিচালনাকারী সংস্থার হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা। ট্রান্স ভারত এভিয়েশনের হেলিকপ্টারটি বদরীনাথ থেকে দেরাদুনের সহস্রধারা হেলিপোর্টে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় পড়ে।
কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, হেলিকপ্টারটি স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৪ মিনিটে বদরীনাথ থেকে যাত্রা শুরু করে। জোশীমঠ উপত্যকা অতিক্রমের সময় সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে চামোলি জেলার চাই গ্রামের কাছে হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া যায়।
দুর্ঘটনায় পাইলটসহ হেলিকপ্টারের ছয় আরোহীর সবাই নিহত হন। নিহত পাঁচ যাত্রীই বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয় রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী, ভারতীয় সেনাবাহিনী, উত্তরাখণ্ড পুলিশ এবং ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ।
সেনাবাহিনী দুর্ঘটনাটিকে বিদ্রোহীদের হামলা হিসেবে বর্ণনা এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল সঞ্জয় মিত্রের পরিবারের সদস্যদের এতে সম্পৃক্ত করার প্রচারকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবিটিকে সত্য ঘটনা হিসেবে প্রচার করার সুযোগ নেই।
সূত্র: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।






