ব্যাংক কর্মকর্তাদের নিয়োগের ১ বছরের মধ্যে সনদ যাচাইয়ের নির্দেশ

আগে নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের যাচাই ৩১ মার্চের মধ্যে; জাল সনদ প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার: ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাইয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে নিয়োগের এক বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদ যাচাই করতে হবে। আগে নিয়োগ পাওয়া যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সনদ এখনো যাচাই হয়নি, সেগুলো আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে যাচাই শেষ করতে হবে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে বলা হয়েছে, ব্যাংক খাতে নিয়োগে স্বচ্ছতা, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও সুশাসন নিশ্চিত করতেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব যুগোপযোগী ও সমন্বিত মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়ন বা হালনাগাদ করতে হবে। পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে ওই নীতিমালা আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কার্যকর করতে হবে।

চাকরিরত অবস্থায় কোনো কর্মকর্তা উচ্চতর ডিগ্রি, পেশাগত সনদ বা অন্য কোনো যোগ্যতার সনদ জমা দিলে সেগুলোও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে ব্যক্তিগত নথিতে সংরক্ষণ করতে হবে।

অন্য ব্যাংক থেকে কোনো কর্মকর্তা উচ্চতর পদে যোগ দিলে আগের ব্যাংকে তার শিক্ষাগত সনদ যাচাই করা হয়ে থাকলে নতুন করে যাচাইয়ের প্রয়োজন হবে না। তবে আগের ব্যাংকের ছাড়পত্র বা অবমুক্তির আদেশে সনদ যাচাইয়ের বিষয়টি উল্লেখ থাকতে হবে।

কোনো শিক্ষাগত সনদ নিয়োগের সময় বা পরবর্তী সময়ে জাল প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের করপোরেট মেমোরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এ ছাড়া এন্ট্রি লেভেলের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি, প্রবেশনারি অফিসার, ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার, জুনিয়র অফিসার ও ট্রেইনি ক্যাশ অফিসারের মতো পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইট বা চাকরির ওয়েবসাইটের পাশাপাশি অন্তত দুটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করতে হবে।