চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু

গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে শাপলা চত্বর থেকে যাত্রা; পথে একাধিক পথসভা, লালদিঘী ময়দানে সমাপনী সমাবেশ

টুইট ডেস্ক: গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরু হয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশের পর চট্টগ্রামের উদ্দেশে লং মার্চের বহর যাত্রা শুরু করে। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ। পরে জোটের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য শেষে চট্টগ্রামের উদ্দেশে বহর রওনা হয়।

এর আগে লং মার্চকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয় ১১ দলীয় ঐক্য। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন রাখতে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জোটের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।

জোটের পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে নারায়ণগঞ্জের কাচপুর সেতু-সংলগ্ন ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাই এলাকায় পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে সমাপনী জনসভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে বিকেল সোয়া ৫টায় সমাবেশের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

লং মার্চ ঘিরে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে আগে প্রায় দেড় হাজার যানবাহন নিয়ে অংশ নেওয়ার কথা জানানো হলেও পরে জ্বালানি সংকট ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় বহরের যানবাহন প্রায় এক হাজারে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

জোটের নেতারা বলছেন, কর্মসূচিটি সরকারবিরোধী কোনো সরকার পতনের আন্দোলন নয়; বরং জনগণের বিভিন্ন সংকট ও দাবিকে সামনে রেখে নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এ লং মার্চ আয়োজন করা হয়েছে।