সড়ক নিরাপত্তা শুধু গাড়ি, লাইসেন্স আর শাস্তির বিষয় নয়: জাইমা রহমান

ড্রাইভিং পরীক্ষা দেওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পথচারী, যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগের কথা জানালেন জাইমা রহমান
টুইট ডেস্ক: বাংলাদেশে গাড়ি চালানোর অনুমতি পেতে সম্প্রতি ড্রাইভিং পরীক্ষা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। দেশে পরীক্ষা দেওয়ার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সড়ক ব্যবহার ও নিরাপত্তা নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেছেন তিনি।
গত বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ২৬ মিনিটে নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক পাতায় দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব কথা বলেন জাইমা রহমান।
জাইমা রহমান বলেন, দেশে ড্রাইভিং পরীক্ষা দিতে গিয়ে তিনি শুধু গাড়ি চালানো বা লাইসেন্সের বিষয়টি নিয়ে ভাবেননি। বরং সড়ক ব্যবহারের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা এবং সড়ক নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও ভেবেছেন।
তার লেখায় দেশের সড়কে পথচারীদের নানা ভোগান্তির বিষয় উঠে এসেছে। পর্যাপ্ত পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুতগতির সড়ক পার হওয়া, দখল হয়ে যাওয়া ফুটপাত দিয়ে হাঁটা এবং নিয়ম না মেনে চলা বাস, মোটরসাইকেল, রিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির ভিড়ের মধ্যে চলাচলের বিড়ম্বনার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
একই সঙ্গে যাত্রী ও চালক হিসেবে সড়কে একজন মানুষকে কী ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, সেটিও তুলে ধরেছেন জাইমা।
‘ভাবনার কাঠামো নতুন করে সাজাতে হবে’
সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে জাইমা রহমান বলেন, সড়ক নিরাপত্তাকে শুধু গাড়ি, লাইসেন্স ও শাস্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। প্রতিদিন যারা সড়কে চলাচল করেন, নিরাপত্তার বিষয়টি তাদের কেন্দ্র করেই বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘পরিবর্তন যদি আমরা সত্যিই চাই, তাহলে আমাদের ভাবনার কাঠামোটাই নতুন করে সাজাতে হবে।’
জাইমা রহমানের মতে, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে শুধু আইন প্রয়োগ করাই যথেষ্ট নয়; পথচারী, যাত্রী ও চালক—সবার চলাচলকে নিরাপদ করার জন্য সামগ্রিক ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন।
লন্ডনে ড্রাইভিং পরীক্ষা এবং বাংলাদেশে ড্রাইভিং পরীক্ষা দেওয়ার অভিজ্ঞতার তুলনামূলক উপলব্ধিও তার বক্তব্যে উঠে এসেছে। দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনা, নিয়ম মানার সংস্কৃতি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।






