শৈশবের ক্ষত নিয়ে মুখ খুললেন প্রিয়ন্তী

আপত্তিকর স্পর্শের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানিয়ে শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি অভিনেত্রীর
টুইট প্রতিবেদক: নিজের শৈশবের এক বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে এনে আলোচনায় এসেছেন তরুণ অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি জানিয়েছেন, ছোটবেলায় আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন তিনি। সেই ভয়াবহ স্মৃতি এখনো তাঁকে মানসিকভাবে তাড়া করে ফেরে।
সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে এক কন্যাশিশুকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে যখন ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, তখনই নিজের অতীতের অভিজ্ঞতা সামনে আনেন প্রিয়ন্তী। তাঁর ভাষায়, শিশু নির্যাতনের খবর দেখলেই তিনি ভেতর থেকে ভেঙে পড়েন, কারণ সেই যন্ত্রণার সঙ্গে তাঁর নিজের জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনেত্রী লেখেন, কিছু ঘটনা মানুষ কখনো ভুলে যেতে পারে না; সময় শুধু তাকে নীরবে বেঁচে থাকতে শেখায়। নিজেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করলেও মনের ভেতরের অস্থিরতা পুরোপুরি থামে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রিয়ন্তীর ভাষ্য, মাত্র চার থেকে পাঁচ বছর বয়সে তিনি এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন, যা তখন পুরোপুরি বুঝতে না পারলেও তাঁর মনে ভয়, অস্বস্তি ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল। তিনি বলেন, একটি শিশুর মনে এ ধরনের ঘটনা দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ক্ষত তৈরি করে, যা বছরের পর বছর বহন করতে হয়।
শুধু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভাগাভাগিই নয়, শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর মতে, ধর্ষক ও নির্যাতনকারীরা কেবল একজন মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না; তারা একটি শিশুর নিরাপত্তাবোধ, বিশ্বাস ও শৈশবকেও ধ্বংস করে দেয়।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে প্রিয়ন্তী তাঁর প্রয়াত বাবাকে স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হন। ব্যস্ত শুটিং ও কাজের মাঝেও কখনো কখনো সবকিছু থেকে দূরে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।






