ব্রিগেডিয়ার পদোন্নতি ঘিরে বিতর্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এক সামরিক কর্মকর্তার পদোন্নতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
টুইট প্রতিবেদক: রাজধানীর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত হিসেবে দীর্ঘদিন পরিচিত ছিলেন বলে বিভিন্ন মহলে দাবি উঠেছে। এ পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রশাসন ও সামরিক কাঠামোয় অতীত সরকারের প্রভাব কতটা রয়ে গেছে,তা নিয়েই নতুন করে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।
সমালোচকদের ভাষ্য, বিতর্কিত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকা কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে উন্নীত করা হলে রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ পদোন্নতি প্রক্রিয়াকে পেশাদার ও নিয়মতান্ত্রিক বলেই দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাদের মতে, ব্যক্তিগত রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে কর্মকর্তা হিসেবে যোগ্যতা, জ্যেষ্ঠতা ও পেশাগত মূল্যায়নের ভিত্তিতেই পদোন্নতি হয়ে থাকে।
ভিডিওটি প্রকাশের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ এটিকে “পুরনো বলয়ের পুনর্বিন্যাস” হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে বলছেন,অযাচিত বিতর্ক সৃষ্টি করে সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক আলোচনায় টেনে আনা উচিত নয়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে প্রশাসন ও নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত এখন জনপরিসরে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে।
ফলে এমন পদোন্নতির বিষয়গুলো ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে থাকতে পারে।






