তিন জেলায় বজ্রপাতে প্রাণহানি

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে স্কুলছাত্রসহ নিহত ৫, মাঠে কাজের সময়ই বেশি ঝুঁকি।

টুইট ডেস্ক: দেশের তিন জেলায় বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় স্কুলছাত্র ও গৃহবধূসহ পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও দামুড়হুদা এলাকায় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রসহ দুজনের মৃত্যু হয়।

নিহতদের মধ্যে নবম শ্রেণির ছাত্র তাজিমুদ্দিন (১৪) বাবার সঙ্গে মাঠে কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারায়।

একই সময়ে কৃষিকাজে ব্যস্ত থাকা আরেক ব্যক্তি রাসেল (২৫) বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ কালো মেঘ ও বজ্রসহ বৃষ্টির মধ্যে তারা খোলা মাঠে অবস্থান করছিলেন।

অন্যদিকে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে কালবৈশাখীর সময় পৃথক স্থানে বজ্রাঘাতে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

রিজন ঢালী (২০) নিজ জমিতে কাজ করার সময় এবং আরাফাত খান বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে আক্রান্ত হন।

স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলেও চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসকের ভাষ্য, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়।

এদিকে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাথানগাছি গ্রামে বজ্রপাতে রোজিনা খাতুন (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

বাড়ির পাশে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রাঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান গ্রীষ্ম মৌসুমে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ে।

খোলা মাঠ, জলাশয় কিংবা উঁচু স্থানে অবস্থান করলে মৃত্যুঝুঁকি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

তাই বজ্রপাতের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।