একটু সহায়তায় ফিরতে পারে রেজাউলের হাসি

দারিদ্র্যে থমকে রেজাউলের জীবন। চিকিৎসার অভাবে শয্যাসায়ী কিশোর, বাঁচাতে প্রয়োজন কয়েক লক্ষ টাকা।
নিজস্ব প্রতিবেদক: রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় দারিদ্র্য ও চিকিৎসা সংকটের নির্মম বাস্তবতায় থমকে গেছে এক কিশোরের জীবন। আলমপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্র বেলাইচন্ডী প্রামানিক পাড়ার ১৭ বছর বয়সী রেজাউল এখন শয্যাসায়ী—অসহনীয় যন্ত্রণায় দিন কাটছে তার।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে গাছ থেকে পড়ে কোমরে গুরুতর আঘাত পান রেজাউল। এরপর থেকে তিনি আর নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেননি। শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে সুস্থ করে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
রেজাউলের বাবা নাজিমুল পেশায় দিনমজুর। সীমিত আয়ে সংসার চালানোই যেখানে কঠিন, সেখানে ছেলের চিকিৎসার জন্য ধার-দেনা করেও প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে পারছেন না তিনি।
চিকিৎসকদের মতে, রেজাউলকে সুস্থ করতে প্রয়োজন কয়েক লক্ষ টাকা—যা এই পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব।
দীর্ঘদিন বিছানায় পড়ে থাকার কারণে রেজাউলের শরীরে গুরুতর ক্ষত তৈরি হয়েছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও সেবা না পাওয়ায় তার শারীরিক যন্ত্রণা ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে পুরো পরিবার।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সময়মতো চিকিৎসা পেলে রেজাউল সুস্থ জীবনে ফিরতে পারত। কিন্তু অর্থের অভাবে সেই সম্ভাবনা এখন সংকুচিত হয়ে আসছে। তাদের মতে, সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের সম্মিলিত সহায়তা পেলে এখনও রেজাউলের জীবন রক্ষা সম্ভব।
এ অবস্থায় রেজাউলের পরিবার সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। একটি কিশোরের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার এই লড়াইয়ে সবার সামান্য সহযোগিতাই হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় আশার







