নিরাপত্তা হুমকি সত্ত্বেও ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইরান

ট্রাম্পের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে দৃঢ় অবস্থান নিল ইরান; এএফসি নিশ্চিত ‘ইরান খেলছে’।
টুইট ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি নিরাপত্তা সতর্কবার্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেও ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে ইরান জাতীয় ফুটবল দল।
এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) স্পষ্ট জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতেও ইরান দলের অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই।
গতকাল এএফসির সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক উইন্ডসর পল জন বলেন, “যতদূর আমরা জানি, ইরান খেলছে। আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি, তবে এই মুহূর্তে তাদের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত।
ইরান এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল এবং বিশ্বকাপে তাদের উপস্থিতি দেখতে চায় পুরো এশিয়ান ফুটবল পরিবার।”
এর আগে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ইরান দলকে সরাসরি সতর্ক করে লেখেন, “ইরান দলকে স্বাগত জানানো হলেও তাদের নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অংশগ্রহণ না করাই উচিত হবে।”
জবাবে ইরান জাতীয় দলের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে দল জানায়, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তি বা একক দেশের হাতে নয়। বিবৃতিতে বলা হয়, “বিশ্বকাপ একটি ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিক আয়োজন।
এর নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা কোনো ব্যক্তি বা দেশ নয়। ধারাবাহিক সাফল্য ও গুরুত্বপূর্ণ জয়ের মাধ্যমে ইরান জাতীয় দল এই টুর্নামেন্টে সবার আগে যোগ্যতা অর্জন করেছে।”
প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাত এখন দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। আঞ্চলিক এই উত্তেজনার প্রভাব ইতোমধ্যে বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনে পড়তে শুরু করেছে।
আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হতে যাওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়েও তাই দেখা দিয়েছে নতুন আলোচনা।
তবে এএফসি ও ইরান ফুটবল ফেডারেশনের দৃঢ় অবস্থান থেকে স্পষ্ট যে, নিরাপত্তা শঙ্কা সত্ত্বেও এশিয়ার শক্তিশালী প্রতিনিধি হিসেবে ইরান বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজেদের জায়গা অটুট রাখতে বদ্ধপরিকর।






