গোলমিসের ম্যাচে জিতল বাংলাদেশ

মালদ্বীপকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
টুইট ডেস্ক: দাপুটে সূচনা করেও শেষ পর্যন্ত কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপকে ৪-২ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ভারতের গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয় পেলেও রক্ষণভাগের দুর্বলতা এবং একের পর এক গোল মিস কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলেছে দলকে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বাংলাদেশ। খেলা শুরুর প্রথম মিনিটেই সুইডেনপ্রবাসী ফরোয়ার্ড আনিকা সিদ্দিকীর গোলে এগিয়ে যায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দ্রুত গোল পাওয়ার পর বাংলাদেশের আক্রমণের গতি আরও বাড়ে। ৩৪তম মিনিটে উমহেলা মারমা ব্যবধান দ্বিগুণ করলে ম্যাচ একপেশে হয়ে যাওয়ার আভাস মিলছিল।
তবে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। পিটার বাটলারের উচ্চ রক্ষণভাগের কৌশলের সুযোগ নিয়ে পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে মালদ্বীপ। প্রথমার্ধের শেষ দিকে নুরা বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ভেঙে গোলরক্ষক মিলির মাথার ওপর দিয়ে চমৎকার শটে ব্যবধান কমান।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৫৭তম মিনিটে ফাজলার শট ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন গোলরক্ষক মিলি। সেই ভুলের সুযোগে সমতায় ফেরে মালদ্বীপ। তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দুই গোল হজম বাংলাদেশের রক্ষণব্যবস্থার দুর্বলতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
তবে সমতায় ফেরার পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। ৬৩তম মিনিটে মালদ্বীপের গোলরক্ষকের ভুলে হাত ফসকে যাওয়া বল জালে পাঠান সুরভি আক্তার প্রীতি। এরপর যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা চাকমার নেওয়া কর্নার থেকে কোহাতি কিসকুর গোলে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
এই জয়ে বাংলাদেশ ও ভারত,দুই দলই এক ম্যাচ শেষে তিন পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। আগামী ৩১ মে মুখোমুখি হবে দুই দল। সেই ম্যাচেই নির্ধারিত হবে গ্রুপসেরা। ড্র হলে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে ভারত।
বাংলাদেশ জয় পেলেও ম্যাচটি কোচিং স্টাফের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে রক্ষণভাগের সমন্বয়হীনতা এবং সহজ সুযোগ নষ্টের প্রবণতা বড় ম্যাচের আগে চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারে।





