পাকিস্তান সিরিজে বাংলাদেশ স্কোয়াড: বোলিংয়ে স্বস্তি, ব্যাটিংয়ে দুশ্চিন্তা

 

দলে ফিরলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব; ছন্দহীনতার কারণে বাদ সোহান-শামীম-জাকের,নির্বাচকদের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন।

টুইট প্রতিবেদক:পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ সামনে রেখে বাংলাদেশ দলের ঘোষিত স্কোয়াডে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। দীর্ঘ সময় পর দলে ফিরেছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। অন্যদিকে ছন্দহীনতার কারণে বাদ পড়েছেন নুরুল হাসান সোহান, জাকের আলী অনিক ও শামীম পাটোয়ারী।

দলের এই পরিবর্তন কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে। বিশেষ করে ব্যাটিং বিভাগের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

প্রায় এক বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। সবশেষ ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ওয়ানডে খেলেছিলেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর বিসিএলের একদিনের সংস্করণে দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে একটি সেঞ্চুরিসহ ১২৮ রান করে আবারও নির্বাচকদের নজরে আসেন আফিফ। যদিও এর আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে তার পারফরম্যান্স খুব একটা সন্তোষজনক ছিল না।

দলে জায়গা পেয়েছেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও। এখন পর্যন্ত তিনটি ওয়ানডে খেলা এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার এখনও নিজেকে বড় মঞ্চে প্রমাণ করতে পারেননি। তবুও তার সামর্থ্যের ওপর আস্থা রেখে তাকে দলে রেখেছেন নির্বাচকরা। সাম্প্রতিক বিসিএলে মধ্যাঞ্চলের হয়ে তিন ম্যাচে একটি অর্ধশতাধিক সহ তিনি করেছেন ১২৪ রান।
অভিজ্ঞতার কারণে দলে রাখা হয়েছে লিটন দাসকে। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স খুব আশাব্যঞ্জক নয়।

বিসিএলে একটি অর্ধশতকসহ তার ব্যাট থেকে এসেছে মোট ৬৫ রান। একইভাবে সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও ছিলেন ছন্দহীন। বিসিএলে তার সংগ্রহ মাত্র ১০৭ রান।

তবে বোলিং বিভাগে তুলনামূলক স্বস্তি রয়েছে। ইনজুরির কারণে হাসান মাহমুদ ও তানজিম সাকিব এই সিরিজে নেই। তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলাম।
বিসিএলে শরিফুল ছয়টি উইকেট নিয়ে ভালো ছন্দে ছিলেন।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিগব্যাশ লিগে দারুণ পারফরম্যান্স করা রিশাদ হোসেন বিসিএলেও নিজের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন। চার ম্যাচে তার শিকার ছিল ৯ উইকেট। সৌম্য সরকার বল হাতে কার্যকর থাকলেও ব্যাট হাতে সফল হতে পারেননি; বিসিএলে তার সংগ্রহ মাত্র ১৮ রান।

দল থেকে বাদ পড়া ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সও নির্বাচকদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে। বিসিএলে নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে এসেছে মাত্র ২৪ রান। জাকের আলী অনিক এক ম্যাচে সুযোগ পেয়ে করেছেন ৫ রান। আর শামীম পাটোয়ারী এই প্রতিযোগিতায় অংশই নেননি।

সব মিলিয়ে পাকিস্তান সিরিজের আগে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন ব্যাটিং বিভাগ। ব্যাটাররা দ্রুত ছন্দে ফিরতে না পারলে সিরিজে চাপ বাড়তে পারে। তবে বোলিং বিভাগ যদি ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে, সেটিই হতে পারে বাংলাদেশের বড় শক্তি।

আপনি চাইলে আমি এই খবরটির জন্য আরও ৫,৬টি ছোট, আকর্ষণীয় বিকল্প শিরোনামও দিতে পারি,যেগুলো অনলাইন পোর্টালে আরও বেশি ক্লিক পেতে সাহায্য করবে।