সীমান্তের ওপারের ইশারায় দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে ভিন্ন উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের অভিযোগ, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

টুইট ডেস্ক : শ্রমিক আন্দোলনের নামে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, একটি মহল সীমান্তের ওপারের ইশারায় ভিন্ন উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক আন্দোলনের নামে সড়কে নেমে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি কিংবা আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করবে, তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক শক্তির কিছু সহযোগী দেশে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টায় জড়িত। গত কয়েক দিনে যেসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছে, সেখানে প্রকৃত শ্রমিকদের অংশগ্রহণ ছিল না। বরং ভিন্ন উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সীমান্তের ওপারের ইশারায় একটি মহল সক্রিয় রয়েছে।

এদিকে ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের তৎপরতার বিষয়েও মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয়ের মাস। এ মাসকে ঘিরে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে এবং থাকবে। পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা দেশে ফিরতে চাইলে ফিরতে পারেন। তাঁদের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, পলাতক আওয়ামী লীগ সরকারের অনেক নেতাকর্মী ডিসেম্বরকে সামনে রেখে নানা ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাঁদের দেশে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারকে নিয়ম অনুযায়ী জানানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ, ডিসেম্বরকে ঘিরে এসব তৎপরতার মূল উদ্দেশ্য পলাতক নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করা। তবে রাজনৈতিক কর্মসূচি কিংবা শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর কোনো প্রচেষ্টা সরকার বরদাশত করবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।