জামায়াতের ‘জান্নাতের টিকিট’ আর কাজে দেবে না: রাশেদ খাঁন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফলকে জামায়াতের ধর্মীয় রাজনীতির বিরুদ্ধে জনগণের অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে আর জনগণের সমর্থন আদায় করতে পারবে না দলটি।

টুইট ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর ‘জান্নাতের টিকিট’ আর কোথাও কাজে দেবে না। ধর্মীয় লেবাসের আড়ালে দলটির নেতাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে জনগণের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। একই পোস্টে উপনির্বাচনে বিজয়ী মির্জা ফয়সল আমীনকে অভিনন্দন জানান তিনি।

পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, দলটির একাধিক নেতার ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে গণমাধ্যমে নানা সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিষয়ে দলটির বক্তব্যের মধ্যেও অসংগতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, নিজেদের নেতাকর্মীদের ধর্মীয় পথে পরিচালিত করতে যারা হিমশিম খাচ্ছে, তারা কীভাবে সাধারণ মানুষকে সঠিক পথের দিশা দেবে?

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেকের বক্তব্যও উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানকারীরা পথভ্রষ্ট—এমন মন্তব্য করেছেন ওই খতিব।

এ ছাড়া মুফতি আবদুল মালেকের বক্তব্যের বিরোধিতায় আমির হামজা ও তারেক মনোয়ারের মতো বক্তাদের মাঠে নামিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করা যেতে পারে, তবে তাতে সাধারণ মানুষের কাছে জামায়াতকে ইসলামী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রাশেদ খাঁনের এসব বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর ধর্মীয় রাজনীতি ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।