এমআরটি লাইন-১-এর চার স্টেশনে এ মাসেই ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু

কমলাপুর, রাজারবাগ, মালিবাগ ও রামপুরা স্টেশনে চলবে কাজ, ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য
টুইট ডেস্ক : রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের চারটি স্টেশনে চলতি অক্টোবরেই ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ শুরু হচ্ছে। চুক্তি প্যাকেজ-৩-এর আওতায় কমলাপুর, রাজারবাগ, মালিবাগ ও রামপুরা স্টেশনে এ কার্যক্রম চালানো হবে।
এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের পরিচালক মো. সারওয়ার উদ্দিন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্যাকেজ-৪-এর আওতায় নতুনবাজার, উত্তর বাড্ডা, বাড্ডা ও আফতাবনগর স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজও এগিয়ে চলছে। এসব স্টেশনের মধ্যে উত্তর বাড্ডা, বাড্ডা ও আফতাবনগরে কাজ শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি।
প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, প্যাকেজ-৬-এর আওতায় বিমানবন্দর, টার্মিনাল-৩ ও খিলক্ষেত স্টেশনে এবং প্যাকেজ-৫-এর আওতায় নর্দা স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।
প্রকল্পের ১২টি ভূগর্ভস্থ স্টেশনের আশপাশে থাকা বিভিন্ন সেবা ও ইউটিলিটি লাইন সরিয়ে একটি অভিন্ন করিডরে নেওয়া হচ্ছে। এ কাজে যুক্ত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। নির্মাণকাজ চলাকালে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
প্রকল্প কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক লক্ষ্য অনুযায়ী, ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কিছু কার্যক্রম ওই বছরের অক্টোবর বা নভেম্বর পর্যন্ত চলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এমআরটি লাইন-১-এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির আওতায় দুটি রুট নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১৯ দশমিক ৮৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ বিমানবন্দর রুটে থাকবে ১২টি স্টেশন। এ রুটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের সংযোগ স্থাপিত হবে।
অন্যদিকে, ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পূর্বাচল রুটে থাকবে সাতটি উড়াল ও দুটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন। এ রুট নতুনবাজারকে পূর্বাচলের সঙ্গে যুক্ত করবে।
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটি চালু হলে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়বে এবং যানজট কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।






