হুথিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সহায়তা নেয়নি সৌদি

ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতায় জনরোষের আশঙ্কা; ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্ত হিসেবে রেখেছে রিয়াদ।

টুইট প্রতিবেদক: ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে সৌদি আরবকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

তবে ইসরায়েলের এ প্রস্তাবে সম্মতি দেননি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতায় জড়ালে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকেই তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এক কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে নেতানিয়াহু সৌদিকে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলায় সহায়তার প্রস্তাব দেন।

এর পেছনে দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার করা এবং ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছিল বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

তবে সৌদি নেতৃত্বের আশঙ্কা, ইসরায়েলের সঙ্গে প্রকাশ্য সামরিক সহযোগিতা দেশটির জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ইস্যুতে আরব বিশ্বের জনমত ও সৌদি আরবের অবস্থানের কারণে এ ধরনের উদ্যোগ রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল।

সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা
দীর্ঘদিন ধরেই সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও