পায়ের স্নায়ু ক্ষতি শনাক্তে ছোট যন্ত্র, দাম ৫৪ হাজার টাকা

ডায়াবেটিসে পায়ের অনুভূতি কমে যাওয়ার ঝুঁকি শনাক্ত করতে কম্পনের মাত্রা মাপা হয়; নিয়মিত পরীক্ষায় পরিবর্তনও পর্যবেক্ষণ করা যায়।
টুইট প্রতিবেদক: ডায়াবেটিসের দীর্ঘমেয়াদি জটিলতার মধ্যে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া অন্যতম। এ সমস্যায় ধীরে ধীরে পায়ের অনুভূতি কমে যেতে পারে। ফলে পায়ে কাটা, ঘা বা অন্য কোনো ক্ষত তৈরি হলেও অনেক সময় রোগী তা বুঝতে পারেন না। এ অবস্থাকে ডায়াবেটিসজনিত প্রান্তীয় স্নায়ুজনিত সমস্যা বলা হয়।
পায়ের স্নায়ুর অনুভূতি কমেছে কি না, তা শনাক্ত করতে ব্যবহার করা যায় ছোট আকারের একটি যন্ত্র,ভাইব্রাসেন্স। পরীক্ষায় যন্ত্রটির কম্পনদণ্ড পায়ের নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয়।
এরপর নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় কম্পন প্রয়োগ করে রোগী কখন সেটি অনুভব করছেন, তা নির্ধারণ করা হয়।
পরীক্ষাটি সাধারণত খুব হালকা কম্পন দিয়ে শুরু হয়।
কম্পনের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ানো হয় এবং রোগী যে পর্যায়ে প্রথম কম্পন অনুভব করেন, সেই মাত্রা নথিভুক্ত করা হয়। স্নায়ুর অনুভূতি কমে গেলে সাধারণত কম্পন অনুভব করতে তুলনামূলক বেশি মাত্রার কম্পন প্রয়োজন হয়।
অর্থাৎ পরীক্ষায় পাওয়া মাত্রা যত বেশি হয়, পায়ের স্নায়ুর সংবেদনশীলতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও তত বেশি হতে পারে। এভাবে পরীক্ষার ফল সংরক্ষণ করে পরবর্তী সময়ে আবার পরীক্ষা করা যায়। এতে সময়ের সঙ্গে স্নায়ুর অনুভূতিতে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কি না, তা তুলনা করে দেখা সম্ভব।
একবার পুরোপুরি চার্জ করলে যন্ত্রটি দিয়ে ৭০টির বেশি পরীক্ষা করা যায়। সাধারণত চিকিৎসকেরা এ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করেন। তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্যও কেউ কেউ এটি কিনে থাকেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, যন্ত্রটির আনুমানিক দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা। তবে বাংলাদেশে আমদানি ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে প্রকৃত দাম কমবেশি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিসে পায়ের অনুভূতি কমে যাওয়া শুরু হলে।






