জয়পুরহাটে পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে ডিআইজি আশিক সাঈদের উদ্যোগ

বিশেষ কল্যাণ সভায় সমস্যা ও দাবির কথা শুনলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদ। পুলিশ সদস্যদের সমস্যা ও কল্যাণ নিয়ে মতবিনিময়, সমাধানের আশ্বাস।

টুইট ডেস্ক: জয়পুরহাটে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও কল্যাণসংক্রান্ত বিষয় গুরুত্বসহকারে শুনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদ। পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাদের কথা শোনার এই উদ্যোগকে জেলা পুলিশের জন্যও একটি ইতিবাচক ও কল্যাণমুখী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জয়পুরহাট পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে জেলা পুলিশ আয়োজিত বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম।

সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা তাদের কর্মক্ষেত্রের সমস্যা, দাবি ও কল্যাণসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদ তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সমাধানের আশ্বাস দেন।

পুলিশ সদস্যদের কথা সরাসরি শোনা এবং তাদের বাস্তব সমস্যাগুলো বোঝার এই উদ্যোগে ডিআইজির মানবিকতা, দায়িত্বশীলতা ও নেতৃত্বের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ের সদস্যদের কল্যাণ ও কর্মপরিবেশের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখার মাধ্যমে জেলা পুলিশে পারস্পরিক আস্থা ও যোগাযোগ আরও জোরদার হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এ সময় ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদ পুলিশ সদস্যদের দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান।

অনুষ্ঠানে জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার প্রধান অতিথি ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। এ সময় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে রেঞ্জের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রতি সম্মান ও সহযোগিতার বিষয়টিও প্রতিফলিত হয়।

বিশেষ কল্যাণ সভার মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন পুলিশ সদস্যদের সরাসরি বক্তব্য ও সমস্যাগুলো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদের পক্ষ থেকে সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস পেয়েছেন সদস্যরা। জেলা পুলিশের এ ধরনের কল্যাণমুখী উদ্যোগ মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের উৎসাহ ও কর্মস্পৃহা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।