মাদক-সন্ত্রাস দমনে সামাজিক সহযোগিতা চাইলেন ডিআইজি আশিক সাঈদ

উগ্রবাদ ও নারী নির্যাতনে জিরো টলারেন্স—তথ্য দিলে গডফাদার ও আশ্রয়দাতাদের আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি। 

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: মাদক, সন্ত্রাস, উগ্রবাদ ও নারী নির্যাতন দমনে পুলিশের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ। তিনি বলেন, মাদক ও সন্ত্রাস দমন পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। অপরাধ নির্মূলে জনগণের তথ্য ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর )বিকেলে বাঘা থানার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর পুলিশ সুপার মামুন অর রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাবিনা ইয়াসমিন, সহকারী পুলিশ সুপার (চারঘাট সার্কেল) খালিদ হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (প্রবেসনাল) তুহিন উদ্দিন।

রাজশাহী বেতারের উপস্থাপিকা রুকসানা আক্তার লাকীর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) সেরাজুল হক।

উন্মুক্ত আলোচনাকালে রাজনৈতিক ও সুধীজনরা বলেন, বিষয়ভিত্তিক চারটি আলোচনার বাইরেও চাঁদাবাজি সহ চুরির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বেশি হয়। এছাড়াও ফেসবুকে গুজব ছড়িয়ে উগ্রবাদ ছড়ানোর চেষ্টা করে। কাগজে কলমে বড় অপরাধীরা পার পেয়ে যায় কিন্তু অভ্যাস জনিত কিংবা পেটের দায়ে চুরির অপরাধে সন্ত্রাসী কায়দায় পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তারা বলেন,সব কিছুর উর্ধ্বে থেকে পুলিশকে জনতার পুলিশ হিসাবে দেখতে চাই। এজন্য নিয়মিত উঠান বৈঠক করে সচেতনতা বৃদ্ধির পরামর্শ দেন তারা।

এছাড়াও নারী নির্যাতন ও ইভটিজিং বিষয়ে বক্তব্য রাখেন রহমতুল্লাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী সাবিনা সুলতানা ও হুমায়রা খাতুন।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মামুন অর রশিদ বলেন, বাঘা সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় মাদক একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করা হয়েছে। তিনি সকলকে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করার আহ্বান জানান।

সভায় রাজনৈতিক , জনপ্রতিনিধি,শিক্ষক, শিক্ষার্থী, আনসার-ভিডিপি ইমাম, সুধীজন ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।