যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ নৌ-সহযোগিতা জোরদার: নৌপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার বৈঠক

আঞ্চলিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় নৌ-সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা

টুইট ডেস্ক: যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে নৌ-সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের ডিফেন্স অ্যাডভাইজার কমান্ডার লি এ নর্টন।

ব্রিটিশ হাইকমিশন ঢাকার আনুষ্ঠানিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তায় মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকে আঞ্চলিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের নৌ-সহযোগিতা আরও জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগর ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয় গুরুত্ব পায়।

ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম গত ২৩ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১৮তম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের স্থলাভিষিক্ত হন। নৌবাহিনী প্রধান হওয়ার আগে তিনি ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যদিকে কমান্ডার লি এ নর্টন রয়্যাল নেভির কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন সহযোগিতামূলক কার্যক্রমেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে নৌ-প্রশিক্ষণ, পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে সহযোগিতা রয়েছে। দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও বিভিন্ন পর্যায়ের পেশাগত বিনিময়ের মাধ্যমে এ সহযোগিতা এগিয়ে চলছে।

নতুন নৌপ্রধান দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার এ সাক্ষাৎ দুই দেশের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা ও নৌ-সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি তা আরও বিস্তৃত করার আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বঙ্গোপসাগর ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের অভিন্ন স্বার্থ থাকায় ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে।