মক্কায় ৪০০ বছরের পুরোনো কোরআন পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন

হলি কুরআন মিউজিয়ামে বিরল নিদর্শন, ফুটে উঠেছে ইসলামি শিল্প-ঐতিহ্যের অনন্য সৌন্দর্য
টইট প্রতিবেদকঃ ১৯ জুন: সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় অবস্থিত ‘হলি কুরআন মিউজিয়ামে’ ৪০০ বছরেরও বেশি পুরোনো পবিত্র কোরআনের একটি বিরল পাণ্ডুলিপি প্রদর্শনের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ইসলামি সভ্যতার শৈল্পিক উৎকর্ষ, ক্যালিগ্রাফি ঐতিহ্যের অনন্য নিদর্শন হিসেবে এটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রদর্শিত পাণ্ডুলিপিটি হিজরি একাদশ শতাব্দীর। এতে সূক্ষ্ম সোনালি অলঙ্করণ, উজ্জ্বল রঙের নকশা এবং অত্যন্ত নিপুণ হস্তলিপির সমন্বয় দেখা যায়। ইসলামি শিল্পকলার উৎকর্ষ ও সেই সময়কার নান্দনিকতার উচ্চমান পাণ্ডুলিপিটির প্রতিটি পাতায় প্রতিফলিত হয়েছে।
বিশেষভাবে পাণ্ডুলিপির সূচনা অংশে থাকা সূরা আল-ফাতিহার অলঙ্করণ দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। জ্যামিতিক নকশা, সোনালি কারুকাজ এবং সূক্ষ্ম শিল্পকর্মের সমন্বয়ে তৈরি এ অংশটি ইসলামি পাণ্ডুলিপি শিল্পের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাণ্ডুলিপিটি শুধু একটি ধর্মীয় গ্রন্থের প্রতিলিপি নয়; বরং এটি ইসলামি ক্যালিগ্রাফার ও অলঙ্করণ শিল্পীদের অসাধারণ দক্ষতার জীবন্ত সাক্ষ্য। সে সময়ের শিল্পীরা কোরআনের লিখনশৈলীকে আধ্যাত্মিকতা ও নান্দনিকতার সমন্বয়ে এক অনন্য শিল্পরূপে উন্নীত করেছিলেন।
মক্কার হেরা সাংস্কৃতিক জেলায় অবস্থিত এই জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি ও নিদর্শনের মাধ্যমে শতাব্দীব্যাপী কোরআন লিপিবদ্ধকরণ ও অলঙ্করণশৈলীর বিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে। ফলে দর্শনার্থীরা ইসলামি শিল্পের এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অনন্য নিদর্শন হিসেবে এটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রদর্শিত পাণ্ডুলিপিটি হিজরি একাদশ শতাব্দীর। এতে সূক্ষ্ম সোনালি অলঙ্করণ, উজ্জ্বল রঙের নকশা এবং অত্যন্ত নিপুণ হস্তলিপির সমন্বয় দেখা যায়। ইসলামি শিল্পকলার উৎকর্ষ ও সেই সময়কার নান্দনিকতার উচ্চমান পাণ্ডুলিপিটির প্রতিটি পাতায় প্রতিফলিত হয়েছে।
বিশেষভাবে পাণ্ডুলিপির সূচনা অংশে থাকা সূরা আল-ফাতিহার অলঙ্করণ দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। জ্যামিতিক নকশা, সোনালি কারুকাজ এবং সূক্ষ্ম শিল্পকর্মের সমন্বয়ে তৈরি এ অংশটি ইসলামি পাণ্ডুলিপি শিল্পের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাণ্ডুলিপিটি শুধু একটি ধর্মীয় গ্রন্থের প্রতিলিপি নয়; বরং এটি ইসলামি ক্যালিগ্রাফার ও অলঙ্করণ শিল্পীদের অসাধারণ দক্ষতার জীবন্ত সাক্ষ্য। সে সময়ের শিল্পীরা কোরআনের লিখনশৈলীকে আধ্যাত্মিকতা ও নান্দনিকতার সমন্বয়ে এক অনন্য শিল্পরূপে উন্নীত করেছিলেন।
মক্কার হেরা সাংস্কৃতিক জেলায় অবস্থিত এই জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি ও নিদর্শনের মাধ্যমে শতাব্দীব্যাপী কোরআন লিপিবদ্ধকরণ ও অলঙ্করণশৈলীর বিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে। ফলে দর্শনার্থীরা ইসলামি শিল্পের বিকাশ এবং কোরআনের প্রতি মুসলিম বিশ্বের গভীর শ্রদ্ধাবোধ সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভের সুযোগ পাচ্ছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের প্রদর্শনী কোরআনকে শুধু ধর্মীয় গ্রন্থ হিসেবে নয়, বরং মানবসভ্যতার সাংস্কৃতিক ও শৈল্পিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবেও নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরছে। একই সঙ্গে এটি ইসলামি শিল্প-সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
চার শতাব্দীরও বেশি পুরোনো এই পাণ্ডুলিপি বর্তমানে জাদুঘরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত দর্শনার্থীরা এটিকে ইসলামি কারুশিল্প ও ঐতিহ্যের এক অমূল্য উত্তরাধিকার হিসেবে দেখছেন।
সূত্র: গালফ নিউজ






