গ্রুপে সমান পয়েন্ট, কে যাবে নকআউটে?

বিশ্বকাপে তৃতীয় সেরা আট দলের হিসাবও নির্ধারণ করবে শেষ ৩২-এর লড়াই।
টুইট প্রতিবেদক: বিশ্বকাপ ফুটবলের গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নকআউট পর্বের সমীকরণও জটিল হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে FIFA আয়োজিত আসরে মেক্সিকো সবার আগে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে। তবে অধিকাংশ গ্রুপেই এখনো লড়াই খোলা থাকায় কোন দল পরবর্তী পর্বে যাবে, তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে টাইব্রেকার বিধান।
এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপদের পাশাপাশি তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা আট দলও নকআউট পর্বে জায়গা পাবে। ফলে শেষ ম্যাচ পর্যন্ত অনেক দলের ভাগ্য ঝুলে থাকতে পারে।
সমান পয়েন্ট হলে কীভাবে নির্ধারিত হবে অবস্থান?
ফিফার প্রতিযোগিতা বিধি অনুযায়ী, একই গ্রুপে দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হলে প্রথমে তাদের পারস্পরিক ম্যাচের ফল বিবেচনা করা হবে।
প্রথম ধাপে দেখা হবে
সমান পয়েন্টধারী দলগুলোর পারস্পরিক ম্যাচে অর্জিত পয়েন্ট;
ওই ম্যাচগুলোর গোল ব্যবধান;
পারস্পরিক লড়াইয়ে করা গোলের সংখ্যা।
এই তিন মানদণ্ডেও যদি সমতা বজায় থাকে, তাহলে দ্বিতীয় ধাপের হিসাব কার্যকর হবে।
দ্বিতীয় ধাপের বিবেচনা
এ পর্যায়ে পুরো গ্রুপ পর্বের পরিসংখ্যান মূল্যায়ন করা হবে। সেক্ষেত্রে গুরুত্ব পাবে
সব ম্যাচ মিলিয়ে গোল ব্যবধান;
সব ম্যাচে করা গোলের সংখ্যা;
ফেয়ার প্লে রেকর্ড বা হলুদ-লাল কার্ডের হিসাব।
শেষ ভরসা ফিফা র্যাঙ্কিং
উপরের সব সূচকে সমতা থাকলে সর্বশেষ প্রকাশিত ফিফা র্যাঙ্কিং অনুযায়ী দলগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।
তৃতীয় সেরা আট দল নির্বাচনের নিয়ম
তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোর মধ্যে সেরা আটটি বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে। ক্রমানুসারে বিবেচনা করা হবে
১. অর্জিত পয়েন্ট
২. গোল ব্যবধান
৩. করা গোলের সংখ্যা
৪. ফেয়ার প্লে পয়েন্ট
এরপরও সমতা থাকলে ফিফার সর্বশেষ র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শেষ ম্যাচগুলোই নির্ধারণ করবে ভাগ্য
বিশ্লেষকদের মতে, তৃতীয় স্থানে থেকেও নকআউট নিশ্চিত করার সুযোগ থাকায় এবার অনেক দল শেষ ম্যাচ পর্যন্ত লড়াইয়ে টিকে থাকবে। ফলে শুধু জয়-পরাজয় নয়, গোল ব্যবধান, গোলসংখ্যা এবং শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ডও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডে তাই প্রতিটি গোল এবং প্রতিটি কার্ড নকআউট ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।






