ডিএনএ রিপোর্ট তদন্তে হস্তান্তর

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড মামলা,তদন্তে অগ্রগতি, সিআইডির প্রতিবেদন পুলিশের হাতে

টুইট প্রতিবেদক: মিরপুর (ঢাকা), ২৩ মে ২০২৬: রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক অগ্রগতি হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি))।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মামলার আলামত বিশ্লেষণ শেষে প্রস্তুত করা ডিএনএ প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এটি মামলার পরবর্তী বিচারিক ধাপ ও অভিযুক্তদের সম্পৃক্ততা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

এর আগে গত ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। তিনি শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেন।

আদালত পরবর্তী নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠান। একই দিনে পৃথক আদালতের আদেশে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার-কেও কারাগারে পাঠানো হয়।

ঘটনার বিবরণ

জবানবন্দিতে সোহেল রানা দাবি করেন, ১৯ মে সকালে শিশুটি ঘর থেকে বের হলে তাকে জোরপূর্বক ঘরের ভেতরে নেওয়া হয় এবং সেখানে নৃশংস অপরাধ সংঘটিত হয়। পরে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়ে বলে তিনি আদালতে স্বীকার করেন।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তদন্তে নতুন ধাপ

ফরেনসিক ডিএনএ রিপোর্ট যুক্ত হওয়ায় তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে। তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, রিপোর্টটি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতিমামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন পক্ষ আশা করছে, ফরেনসিক প্রমাণ ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি মিলিয়ে মামলার প্রকৃত সত্য উদঘাটন আরও সহজ হবে।