বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার অনিশ্চয়তা: সময়ের সঙ্গে দৌড়ে সিদ্ধান্তহীনতা

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তহীনতায় বিশ্বকাপ সম্প্রচার,চাপ বাড়ছে শেষ মুহূর্তে।
টুইট প্রতিবেদক: বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার অনিশ্চয়তা: সময়ের সঙ্গে দৌড়ে সিদ্ধান্তহীনতা
চূড়ান্ত সিদ্ধান্তহীনতায় বিশ্বকাপ সম্প্রচার,চাপ বাড়ছে শেষ মুহূর্তে।
বাংলাদেশে আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল সরাসরি সম্প্রচার নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। সম্প্রচার স্বত্বের উচ্চমূল্য, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ধীরগতি এবং সময়সীমার ঘনিয়ে আসা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
ফলে কোটি দর্শকের কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ উপভোগ অনিশ্চিত হয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্বত্বের মূল্যবৃদ্ধিতে সংকটের শুরু
সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান স্প্রিংবক পিটিই লিমিটেড বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ কোটি টাকার প্যাকেজ প্রস্তাব করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এই প্যাকেজে টেলিভিশন, অনলাইন, রেডিও ও মোবাইল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচারের অধিকার অন্তর্ভুক্ত।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) জানিয়েছে, এত বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। পূর্বের নীতিমালায় কিছু ক্ষেত্রে স্বল্প খরচে বা বিশেষ বরাদ্দে স্বত্ব কেনা গেলেও বর্তমানে সেই সুবিধা আর নেই।
সরকারি উদ্যোগেও গতি কম
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও বিটিভির মধ্যে একাধিক দফা আলোচনা হলেও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করে বিনামূল্যে সম্প্রচারের সুযোগ পাওয়ার চেষ্টাও সফল হয়নি।
ফলে বিষয়টি এখন আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ের আলোচনায় গড়িয়েছে, তবে কার্যকর সমাধান এখনও অনুপস্থিত।
বেসরকারি খাতেও অনাগ্রহ
বেসরকারি টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোও এ বছর বড় ধরনের ঝুঁকি নিতে আগ্রহী নয় বলে জানা গেছে। তাদের যুক্তি,খেলা অনুষ্ঠিত হবে গভীর রাত ও ভোরে, ফলে বিজ্ঞাপন বাজার সীমিত হবে এবং বিনিয়োগ ফেরত পাওয়া কঠিন।
২০২২ বিশ্বকাপে যেসব প্রতিষ্ঠান সম্প্রচারে যুক্ত ছিল, তাদের অনেকেই এবার পিছিয়ে আছে।
সময় কমছে, বাড়ছে চাপ
বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি মাত্র কয়েক মাস। কিন্তু এখনো সম্প্রচার কাঠামো নির্ধারিত না হওয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের চাপ বাড়ছে।
ফুটবল সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দ্রুত সমাধান না হলে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচার অনিশ্চয়তা থেকে বাস্তব সংকটে রূপ নিতে পারে।
দর্শকদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশা
বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ সবসময়ই জনজীবনে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি করে। তাই সম্প্রচার অনিশ্চয়তা সাধারণ দর্শকদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে।
ফুটবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, শেষ মুহূর্তে হলেও সরকার বা বেসরকারি খাতকে দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে, নইলে বড় একটি জনআগ্রহের ক্রীড়া আয়োজন দেশবাসী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
বাংলাদেশে আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল সরাসরি সম্প্রচার নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। সম্প্রচার স্বত্বের উচ্চমূল্য, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ধীরগতি এবং সময়সীমার ঘনিয়ে আসা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
ফলে কোটি দর্শকের কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ উপভোগ অনিশ্চিত হয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্বত্বের মূল্যবৃদ্ধিতে সংকটের শুরু
সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান স্প্রিংবক পিটিই লিমিটেড বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ কোটি টাকার প্যাকেজ প্রস্তাব করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এই প্যাকেজে টেলিভিশন, অনলাইন, রেডিও ও মোবাইল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচারের অধিকার অন্তর্ভুক্ত।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) জানিয়েছে, এত বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। পূর্বের নীতিমালায় কিছু ক্ষেত্রে স্বল্প খরচে বা বিশেষ বরাদ্দে স্বত্ব কেনা গেলেও বর্তমানে সেই সুবিধা আর নেই।
সরকারি উদ্যোগেও গতি কম
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও বিটিভির মধ্যে একাধিক দফা আলোচনা হলেও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করে বিনামূল্যে সম্প্রচারের সুযোগ পাওয়ার চেষ্টাও সফল হয়নি।
ফলে বিষয়টি এখন আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ের আলোচনায় গড়িয়েছে, তবে কার্যকর সমাধান এখনও অনুপস্থিত।
বেসরকারি খাতেও অনাগ্রহ
বেসরকারি টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোও এ বছর বড় ধরনের ঝুঁকি নিতে আগ্রহী নয় বলে জানা গেছে। তাদের যুক্তি—খেলা অনুষ্ঠিত হবে গভীর রাত ও ভোরে, ফলে বিজ্ঞাপন বাজার সীমিত হবে এবং বিনিয়োগ ফেরত পাওয়া কঠিন।
২০২২ বিশ্বকাপে যেসব প্রতিষ্ঠান সম্প্রচারে যুক্ত ছিল, তাদের অনেকেই এবার পিছিয়ে আছে।
সময় কমছে, বাড়ছে চাপ
বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি মাত্র কয়েক মাস। কিন্তু এখনো সম্প্রচার কাঠামো নির্ধারিত না হওয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের চাপ বাড়ছে।
ফুটবল সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দ্রুত সমাধান না হলে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচার অনিশ্চয়তা থেকে বাস্তব সংকটে রূপ নিতে পারে।
দর্শকদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশা
বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ সবসময়ই জনজীবনে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি করে। তাই সম্প্রচার অনিশ্চয়তা সাধারণ দর্শকদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে।
ফুটবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, শেষ মুহূর্তে হলেও সরকার বা বেসরকারি খাতকে দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে, নইলে বড় একটি জনআগ্রহের ক্রীড়া আয়োজন দেশবাসী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।






