পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

পুনর্গঠিত পর্ষদের মেয়াদকাল পর্যন্ত মিলবে বিশেষ সুবিধা।
টুইট প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ প্রাথমিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে পুনর্গঠন করা হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। শিগগিরই এ বিষয়ে পৃথক নির্দেশনা জারি করা হবে।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার বিএসইসির পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র আবুল কালামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিএসইসি জানিয়েছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে বিমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এসব নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনো প্রতিষ্ঠানের পর্ষদ ভেঙে পুনর্গঠন করলে বিদ্যমান পরিচালকদের পক্ষে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের শর্ত পূরণ করা অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না।
এর ফলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো বোনাস শেয়ার বা রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন বাড়ানোর সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছিল। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই পুনর্গঠিত পর্ষদের মেয়াদকাল পর্যন্ত শর্ত শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
তবে বিএসইসি স্পষ্ট করেছে, পুনর্গঠিত পর্ষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর স্বাভাবিক নিয়মে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হলে আবারও ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতা কার্যকর হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তালিকাভুক্ত অন্তত ১৬টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া কয়েকটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পর্ষদও পুনর্গঠনের আওতায় এসেছে।
এদিকে কমিশন সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, শেয়ারবাজারের ‘এ’ শ্রেণিভুক্ত ব্যাংকগুলো নিজেদের ব্যাংকেই লভ্যাংশ হিসাব সংরক্ষণ করতে পারবে। এ বিষয়েও পৃথক নির্দেশনা জারি করবে বিএসইসি।






