মুচলেকায় মুক্তি বিএনপি নেতা

১২ ঘণ্টা আটকের পর ছাড়, চাঁদাবাজি ইস্যুতে নতুন প্রশ্ন?
টুইট ডেস্ক: কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলায় আটক হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন উপজেলাবিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুম। রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানা থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
থানা সূত্র জানায়, অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুপুরের দিকে তাকে শহরের শাসনগাছা এলাকার বাসা থেকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হানের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে শাসনগাছা বাস টার্মিনালে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিবহন শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে আটকের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে শুরুতে কিছু জানায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি দায়িত্বশীল সূত্র দাবি করেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শাসনগাছা বাস টার্মিনালে যানবাহন থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে রেজাউল কাইয়ুমের নাম আলোচনায় আসে। একাধিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে আসে বলেও জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে চাঁদাবাজির অভিযোগ নতুন করে গুরুত্ব পাওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।
জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের নির্দেশেই তাকে আটক করা হয়েছিল। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকার কথা জানিয়ে বলেন, একটি বাস স্ট্যান্ডের ইজারা নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
মুক্তির পর রেজাউল কাইয়ুম দাবি করেন, শাসনগাছা বাস স্ট্যান্ডে কেউ চাঁদাবাজি করলে তিনি প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন।
ঘটনাটি স্থানীয় রাজনীতি ও পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।






