বন্যাদুর্গতদের পাশে জামায়াত আমির, বললেন রাজনীতি নয়, মানুষই অগ্রাধিকার

বাঁশখালীর পানিবন্দি এলাকায় ত্রাণ বিতরণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর; দ্রুত উদ্ধার ও পুনর্বাসনের আহ্বান
টুইট ডেস্ক: চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বন্যাকবলিত গুনাগরি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার তিনি পানিবন্দি মানুষের মধ্যে ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন।
সফরকালে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ডা. শফিকুর রহমান অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত শতাধিক পরিবারের হাতে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। পরে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের খোঁজ নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সাহস জোগান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অনেকেই বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেও ডা. শফিকুর রহমান সরাসরি বাড়ির সামনে গিয়ে মানুষের খোঁজ নিয়েছেন। এতে দুর্গত মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে বলে তারা জানান।
ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জামায়াত আমির বলেন, **“আমি এখানে রাজনীতি করতে আসিনি। বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে এসেছি। চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কথা শুনতেই এসেছি।”**
তিনি জানান, জাতীয় সংসদে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং বিরোধী দল বিষয়টি উত্থাপন করেছে। তবে মানুষের প্রকৃত দুর্ভোগ বুঝতে মাঠপর্যায়ে উপস্থিত হওয়া জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান সরকারের প্রতি দ্রুত উদ্ধার অভিযান, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বন্যা, পাহাড়ধস ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গুনাগরি এলাকায় অন্তত ৩০০টি বাড়ি পানির নিচে রয়েছে। বহু পরিবার তিন দিন ধরে ঘরছাড়া অবস্থায় স্কুল, আশ্রয়কেন্দ্র ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে অবস্থান করছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছেন শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা।






