জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ৬-৭ শতাংশে উন্নীতের লক্ষ্য

বর্তমানে অবদান ৩ শতাংশ; সারা দেশে ১,৭৪২ পর্যটন স্পট ঘিরে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের ঘোষণা।

টুইট ডেস্ক : দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পর্যটন খাতের অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।এ লক্ষ্যে সারাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।

সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬-এর এক অধিবেশনে বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান প্রায় ৩ শতাংশ। পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে এ খাতকে দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি করা সম্ভব।

মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে ১ হাজার ৭৪২টি পর্যটন স্পট রয়েছে, যা প্রত্যেক জেলার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে নতুনভাবে জাগ্রত করতে পারে।

এসব স্পটকে ঘিরে অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সেবার মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মাঠপর্যায়ে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণই পর্যটন খাতের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, প্রতিটি জেলার নিজস্ব উদ্যোগ ও সৃজনশীল পরিকল্পনা একটি নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে পারে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি বলেন, সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে শক্ত অবস্থানে নেওয়া সম্ভব।এদিকে, মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বালিয়াটি জমিদার বাড়ি ও তেওতা জমিদার বাড়িকে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন পর্যটনমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।