রানা প্লাজা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি

বিজিএমইএর ঘোষণা,শ্রমিক নিরাপত্তায় ‘নতুন মানদণ্ড’ গড়ার দাবি।
টুইট প্রতিবেদক: রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত কোনো শ্রমিক বা তার পরিবারের কেউ কর্মহীন থাকলে তাদের জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের সুস্থতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
মাহমুদ হাসান খান বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনা শুধু একটি শিল্প দুর্ঘটনা ছিল না; এটি পুরো পোশাক খাতের জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করেছে।
এ ঘটনার পর গত এক যুগে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে নিরাপত্তা, কর্মপরিবেশ ও টেকসই উৎপাদনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পোশাক উৎপাদনের অন্যতম মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
এই অগ্রগতির পেছনে শ্রমিক, উদ্যোক্তা এবং দেশি-বিদেশি অংশীজনদের সম্মিলিত ভূমিকা রয়েছে।
রানা প্লাজা ইস্যুকে কেন্দ্র করে কোনো অপচেষ্টা বা স্বার্থসিদ্ধির সুযোগ যেন সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে বিজি.এম ই.এ সতর্ক রয়েছে বলেও জানান সংগঠনটির সভাপতি।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারে রানা প্লাজা ভবন ধসে সহস্রাধিক শ্রমিক নিহত হন, যা দেশের শিল্প ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।
ঘটনার পর আন্তর্জাতিক চাপ ও দেশীয় উদ্যোগে পোশাক খাতে কর্মপরিবেশ ও ভবন নিরাপত্তায় বড় ধরনের সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়।
দোয়া মাহফিলে বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।






