চট্টগ্রাম সিটি কলেজে রক্তাক্ত হামলা, বিচার দাবিতে শিবিরের তীব্র প্রতিবাদ

ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলার অভিযোগ; আহত বহু, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন।
টুইট ডেস্ক: চট্টগ্রাম সিটি কলেজে সংঘটিত সহিংস হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবি করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
সংগঠনটির অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে শিবির নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর আঘাত হানা হয়েছে, যা ক্যাম্পাস পরিস্থিতিকে মারাত্মকভাবে অস্থিতিশীল করে তুলেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এ দাবি জানান।
তিনি বলেন, “ভাড়াটে সন্ত্রাসী ও বহিরাগতদের ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে পরিকল্পিত অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে।”
ঘটনার বর্ণনায় তিনি জানান, সকালে পোস্টারিং ও দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
পরে বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল বের হলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে বহু শিক্ষার্থী আহত হন; গুরুতর আহত এক শিক্ষার্থীর পায়ের অংশ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।
শিবিরের অভিযোগ, হামলার সময় পুলিশ প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা পালন করেনি। বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের নিষ্ক্রিয়তা প্রশ্নবিদ্ধ।
এ প্রসঙ্গে সাদ্দাম বলেন, “প্রশাসনের এই আচরণ অতীতের বিতর্কিত সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।”
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একই ধরনের সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে বলে দাবি সংগঠনটির।
শিবির সভাপতি দ্রুত তদন্ত করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে শিবিরের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।






