তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য জোরদারে নতুন কৌশল

রপ্তানি, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, পোশাক ও চামড়া খাতকে কেন্দ্র করে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।
টুইট প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে নতুন গতি আনতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিসর বহুগুণে বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে তৈরি পোশাক, বস্ত্রশিল্প, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং হালকা প্রকৌশল খাতে যৌথ বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে উৎপাদন ব্যয় তুলনামূলক কম হওয়ায় তুরস্কের উদ্যোক্তারা চামড়া ও পাটজাত শিল্পে বিনিয়োগ করলে উভয় দেশই লাভবান হবে।
এতে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনাও বাড়বে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি, দক্ষ জনশক্তি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
তিনি বিশেষভাবে বাংলাদেশের পাটজাত পণ্যের প্রশংসা করে তুরস্কে এর ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা উল্লেখ করেন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ বাণিজ্য সহযোগিতা আরও কাঠামোবদ্ধভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে পারস্পরিক আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।






